"পরবর্তীতে পড়ার জন্য শেয়ার করে রাখুন"

মৈত্রী ট্রেন হচ্ছে ঢাকা এবং কলকাতা যাওয়ার সহজ মাধ্যম যা অল্প খরচে চলে যেতে পারে। এছাড়াও ঢাকা থেকে কলকাতা যাওয়ার সরাসরি বাস চালু আছে। আজ ট্রেন এবং বাস দুটোই বিস্তারিত তুলে ধরছি। আসা করি অনেকের উপকারে আসবে।

"পরবর্তীতে পড়ার জন্য শেয়ার করে রাখুন"

এই ট্রেনটি নন স্টপ ট্রেন হিসেবে বলা হলেও অন্তত দুটি স্টেশনে স্টপেজ হবে যেমন ইশ্বরদি ও যশোর স্টেশনে অল্প সময়ের জন্য থামবে মানে লোক উঠা-নামা করতে যতটুকু সময় লাগবে।

"পরবর্তীতে পড়ার জন্য শেয়ার করে রাখুন"

জি, ঠিক শুনছেন। অবাক হলেও সত্যি যে এই স্থানটি ভারত শাসিত অঞ্চল আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপ পুঞ্জে অবস্থিত একটি আলাদা দ্বীপ। এই দ্বীপে গিয়ে এখনো পর্যন্ত কেউ জীবিত ফিরে আসতে পারে নাই। কারণ এই দ্বীপে যারা বসবাস করে তাদের মধ্যে এখনো কোন সভ্যতার ছিটেফোটাও নেই। তারা বাইরের কাউকে প্রবেশ করতে দেখলেই হত্যা করে আর এই দ্বীপেই একমাত্র #আদিম উপজাতিদের বসবাস যাদের বংশপরস্পরায় হাজার বছর ধরে সেখানে টিকে আছে।

"পরবর্তীতে পড়ার জন্য শেয়ার করে রাখুন"

এই কার্ড হয়তো আপনার কাছে ঝামেলা মনে হতে পারে কিন্তু এই কার্ড দিয়েই আপনি ইন্ডিয়ার ৯০% যায়গা ব্যবহার করতে পারবেন যেমন ডা: দেখাতে গেলে যে কোন হাসপাতাল যেমন CMS Hospital of vellore, Sangkara Nethralay of chennai, Apollo hospital of chennai, Nimhas hospital of Bangalore, TATA cancer Hospital of Mumbai এছাড়াও আরো অনেক ভালো, মাঝারি হাসপাতালে।

"পরবর্তীতে পড়ার জন্য শেয়ার করে রাখুন"

ভারতীয় ভিসার জন্য কাগজপত্রাদি নিয়ে টেনশন ও সন্দেহ থাকে তাদের জন্য আজকের এই লেখা। যারা ভারতের বিভিন্ন প্রকার ভিসা করার জন্য এখানে-ওখানে ঘুরাঘুরি করেন বা কিভাবে করবেন আর কি কি কাগজপত্রাদি জমা দিতে হবে অথবা কিভাবে সাজাতে হবে জানেন না, আজ সেটার ১০০% সঠিক গাইডলাইন এই পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরছি

"পরবর্তীতে পড়ার জন্য শেয়ার করে রাখুন"

ভেলরে গিয়ে থাকতে হবে অনেকদিন তাই অনেকেই হোটেল নিয়ে চিন্তা করে থাকেন। কোথায় উঠবেন, কোন হোটেল ভালো, কেমন পরিবেশ ইত্যাদি। আজ আমি এমন কিছু হোটেল বিষয়ে লিখবো যে গুলো নিট এ্যান্ড ক্লিন এবং হোটেলের ভিতরের পরিবেশ ভালো। অনেকেই হাসপাতালের একদম পাশেই থাকতে চান তাদের জন্য আজকের এই লেখা।

"পরবর্তীতে পড়ার জন্য শেয়ার করে রাখুন"

#মুন্নারের বেষ্ট সিজন হচ্ছে #August থেকে শুরু হয়ে থাকে আর এপ্রিল মাস পর্যন্ত চলে তবে জুন, জুলাই মাস আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে কারণ জুন, জুলাই বৃষ্টির সিজন আর এই সিজন টা অফ সিজন হলেও হাজার হাজার ট্যুরিস্ট এই সময়ে ঘুরতে যায় কারণ বৃষ্টির সিজনে আসল সৌঁন্দর্য ফুটে ওঠে আর এখানে বৃষ্টি হচ্ছে তো ২ কি.মি. পর গেলে দেখবেন বৃষ্টি নেই সে এক অন্যরকম অনুভূতি পাবেন। আবার পাহাড়ের এক পাশে মেঘ ঠিক তার একটু দূরে আবার পরিষ্কার সে এক অন্য রকম ফিলিংস যা চোখে না দেখা পর্যন্ত বোঝানো কঠিন।

"পরবর্তীতে পড়ার জন্য শেয়ার করে রাখুন"