ভারতীয় ভিসার জন্য কাগজপত্রাদি নিয়ে টেনশন ও সন্দেহ থাকে তাদের জন্য আজকের এই লেখা। যারা ভারতের বিভিন্ন প্রকার ভিসা করার জন্য এখানে-ওখানে ঘুরাঘুরি করেন বা কিভাবে করবেন আর কি কি কাগজপত্রাদি জমা দিতে হবে অথবা কিভাবে সাজাতে হবে জানেন না, আজ সেটার ১০০% সঠিক গাইডলাইন এই পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরছি, অন্যের কাছ থেকে কিছুই শোনার দরকার নেই, আমরা ভারতীয় ভিসা সেন্টার থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে এই পোস্ট ও গাইডলাইন দিচ্ছি———তাই ১০০% এই গাইডলাইন অনুসরণ করুন

মেডিকেল ভিসার জন্য কাগজপত্রাদি

১। অনলাইনে ভিসা এপ্লিকেশন ফিলাপের আবেদন কপি এবং ২ বাই ২ হোয়াইট ব্যাকগ্রাইন্ড ছবি সহ

২। জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন কপি অথবা স্মার্ট আইডি কার্ড এর ফটোকপি

(পাসপোর্ট এর নাম্বার অনুযায়ী অর্থাৎ পাসপোর্টে যে আইডি নং উল্লেখ করা আছে সেই অনুযায়ী ডকুমেন্টস দিতে হবে অন্যথায় জমা নিবে না)

৩। আবেদন পত্রের বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী ইউটিলিটি বিলের কপি

(বিদ্যুৎ বিলের কপি অথবা পানি বিলের কপি অথবা গ্যাস বিলের কপি যে কোন একটি জমা দিতে হবে এবং সাম্প্রতিক ৩ মাসের মধ্যে বিলের কপি হতে হবে)

৪। ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ডলার ইন্ডোরসমেন্ট এক্ষেত্রে যে কোন একটি কপি দিলেই হবে

(১৫০ ডলার অথবা এর পরিমাণ টাকা ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিলেই হবে অর্থাৎ ১৫০০০/২০০০০ টাকা এরকম কোন বাধ্যবাধকতা মোটেও নেই যা লিখেছি সেটাই ফলো করুন তবে পরিমানে বেশি দিলে কোন সমস্যা নেই)

৫। নিজস্ব পেশাগত প্রমাণপত্র অথবা অভিভাবকের পেশাগত কাগজপত্র জমা দিতে হবে

(ট্রেড লাইসেন্স কপি যদি বিজনেসম্যান হোন অথবা জিও লেটার কপি যদি সরকারি চাকরিজীবী হোন অথবা NOC কপি যদি প্রাইভেট চাকরিজীবী হোন এবং কোন মহিলা যদি হাউজ ওয়াইফ হন সেক্ষেত্রে তার এক্সট্রা হিসেবে হাসব্যান্ডের ট্রেড লাইসেন্স বা জিও লেটার বা NOC কপি জমা দিতে হবে)

৬। ভারতীয় হাসপাতালের সাক্ষাতপত্র (APPOINTMENT LETTER OR INVITATION LETTER) সুনির্দিষ্ট তারিখ সহ উল্লেখ থাকতে হবে।

৭। মেডিকেলের কাগজপত্র অর্থাৎ প্রেশক্রিপশন ও টেস্টের রিপোর্ট যদি থাকে তা জমা দিতে হবে

(বাংলাদেশের ডাঃ এর রেফারেন্স লেটারসহ ২ থেকে ৩ টি সাম্প্রতিক প্রেশক্রিপশন ও যদি টেস্টের রিপোর্ট থাকে সেটাও জমা দিবেন)

৮। সাম্প্রতিক ভিসা পেজের কপি

(আপনি যদি কোন দেশে আগে গিয়ে থাকেন যেমন ভারত/থাইল্যান্ড/নেপাল/ভুটান/অন্যান্য দেশে সেক্ষেত্রে লাস্ট যে দেশে গিয়েছিলেন সেই দেশের ভিসা পেজের কপি দিতে হবে আর যদি না গিয়ে থাকেন অর্থাৎ নতুন সেক্ষেত্রে (৮) নং সিরিয়াল বাদ )

৯। পাসপোর্ট এর ফটোকপি অর্থাৎ শুধু পাসপোর্ট এর মেইন পেজ যা ঠিকানাসহ তথ্যসম্বলিত পাতাটি

***সকল কাগজ পত্রাদি উপরের সিরিয়াল নম্বর অনুসারে সাজাতে হবে***

বিশেষ দ্রস্টব্যঃ পুরানো পাসপোর্ট থাকলে অবশ্যই সাথে আনতে হবে এবং জমা দিতে হবে।

ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য কাগজপত্রাদি ও নিয়মকানুন

১। অনলাইনে ভিসা এপ্লিকেশন ফিলাপের আবেদন কপি এবং ২ বাই ২ হোয়াইট ব্যাকগ্রাইন্ড ছবি সহ

২। জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন কপি অথবা স্মার্ট আইডি কার্ড এর ফটোকপি

(পাসপোর্ট এর নাম্বার অনুযায়ী অর্থাৎ পাসপোর্টে যে আইডি নং উল্লেখ করা আছে সেই অনুযায়ী ডকুমেন্টস দিতে হবে অন্যথায় জমা নিবে না)

৩। আবেদন পত্রের বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী ইউটিলিটি বিলের কপি

(বিদ্যুৎ বিলের কপি অথবা পানি বিলের কপি অথবা গ্যাস বিলের কপি যে কোন একটি জমা দিতে হবে এবং সাম্প্রতিক ৩ মাসের মধ্যে বিলের কপি হতে হবে)

৪। ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ডলার ইন্ডোরসমেন্ট এক্ষেত্রে যে কোন একটি কপি দিলেই হবে

(১৫০ ডলার অথবা এর পরিমাণ টাকা ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিলেই হবে অর্থাৎ ১৫০০০/২০০০০ টাকা এরকম কোন বাধ্যবাধকতা মোটেও নেই যা লিখেছি সেটাই ফলো করুন তবে পরিমানে বেশি দিলে কোন সমস্যা নেই)

৫। নিজস্ব পেশাগত প্রমাণপত্র অথবা অভিভাবকের পেশাগত কাগজপত্র জমা দিতে হবে

(ট্রেড লাইসেন্স কপি যদি বিজনেসম্যান হোন অথবা জিও লেটার কপি যদি সরকারি চাকরিজীবী হোন অথবা NOC কপি যদি প্রাইভেট চাকরিজীবী হোন এবং কোন মহিলা যদি হাউজ ওয়াইফ হন সেক্ষেত্রে তার এক্সট্রা হিসেবে হাসব্যান্ডের ট্রেড লাইসেন্স বা জিও লেটার বা NOC কপি জমা দিতে হবে)

৬। সাম্প্রতিক ভিসা পেজের কপি

(আপনি যদি কোন দেশে আগে গিয়ে থাকেন যেমন ভারত/থাইল্যান্ড/নেপাল/ভুটান/অন্যান্য দেশে সেক্ষেত্রে লাস্ট যে দেশে গিয়েছিলেন সেই দেশের ভিসা পেজের কপি দিতে হবে আর যদি না গিয়ে থাকেন অর্থাৎ নতুন সেক্ষেত্রে (৮) নং সিরিয়াল বাদ )

৭। পাসপোর্ট এর ফটোকপি অর্থাৎ শুধু পাসপোর্ট এর মেইন পেজ যা ঠিকানাসহ তথ্যসম্বলিত পাতাটি

***সকল কাগজ পত্রাদি উপরের সিরিয়াল নম্বর অনুসারে সাজাতে হবে***

বিশেষ দ্রস্টব্যঃ পুরানো পাসপোর্ট থাকলে অবশ্যই সাথে আনতে হবে এবং জমা দিতে হবে।

বিজনেস ভিসার জন্য কাগজপত্রাদি ও নিয়মকানুন

১। অনলাইনে ভিসা এপ্লিকেশন ফিলাপের আবেদন কপি এবং ২ বাই ২ হোয়াইট ব্যাকগ্রাইন্ড ছবি সহ

২। জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন কপি অথবা স্মার্ট আইডি কার্ড এর ফটোকপি

(পাসপোর্ট এর নাম্বার অনুযায়ী অর্থাৎ পাসপোর্টে যে আইডি নং উল্লেখ করা আছে সেই অনুযায়ী ডকুমেন্টস দিতে হবে অন্যথায় জমা নিবে না)

৩। আবেদন পত্রের বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী ইউটিলিটি বিলের কপি

(বিদ্যুৎ বিলের কপি অথবা পানি বিলের কপি অথবা গ্যাস বিলের কপি যে কোন একটি জমা দিতে হবে এবং সাম্প্রতিক ৩ মাসের মধ্যে বিলের কপি হতে হবে)

৪। প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক স্টেটমেন্ট কপি

(২৫০০০/৩০০০০ টাকা এরকম কোন বাধ্যবাধকতা মোটেও নেই তবে নূন্যতম ১৫০ ডলার সম পরিমাণ টাকা ব্যাংক স্টেটমেন্টে থাকতে হবে)

৫। ভারত থেকে বিজনেস ভিসার ইনভাইটেশন লেটার কপি

৬। নিজ প্রতিষ্ঠানের প্যাডে ভিসার জন্য দরখাস্ত লেখার কপি

৭। আপডেট ট্রেড লাইসেন্স কপি

৮। আপডেট আয়কর প্রত্যায়ন পত্র (NOT TIN, MUST TIN CERTIFICATE)

৯/ ভ্যাটের প্রমানপত্র বা সনদপত্রের কপি বা ভ্যাটের চালান কপি দিলেও হবে

১০। চেম্বার অফ কমার্স এর আপডেট সনদপত্রের কপি

১১। আমদানি অথবা রপ্তানি সনদপত্রের কপি

১২। সাম্প্রতিক ভিসা পেজের কপি

(আপনি যদি কোন দেশে আগে গিয়ে থাকেন যেমন ভারত/থাইল্যান্ড/নেপাল/ভুটান/অন্যান্য দেশে সেক্ষেত্রে লাস্ট যে দেশে গিয়েছিলেন সেই দেশের ভিসা পেজের কপি দিতে হবে আর যদি না গিয়ে থাকেন অর্থাৎ নতুন সেক্ষেত্রে (৮) নং সিরিয়াল বাদ )

১৩। পাসপোর্ট এর ফটোকপি অর্থাৎ শুধু পাসপোর্ট এর মেইন পেজ যা ঠিকানাসহ তথ্যসম্বলিত পাতাটি

***সকল কাগজ পত্রাদি উপরের সিরিয়াল নম্বর অনুসারে সাজাতে হবে***

বিশেষ দ্রস্টব্যঃ পুরানো পাসপোর্ট থাকলে অবশ্যই সাথে আনতে হবে এবং জমা দিতে হবে।

স্টুডেন্ট ভিসার জন্য কাগজপত্রাদি ও নিয়মকানুন

১। অনলাইনে ভিসা এপ্লিকেশন ফিলাপের আবেদন কপি এবং ২ বাই ২ হোয়াইট ব্যাকগ্রাইন্ড ছবি সহ

২। জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন কপি অথবা স্মার্ট আইডি কার্ড এর ফটোকপি

(পাসপোর্ট এর নাম্বার অনুযায়ী অর্থাৎ পাসপোর্টে যে আইডি নং উল্লেখ করা আছে সেই অনুযায়ী ডকুমেন্টস দিতে হবে অন্যথায় জমা নিবে না)

৩। আবেদন পত্রের বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী ইউটিলিটি বিলের কপি

(বিদ্যুৎ বিলের কপি অথবা পানি বিলের কপি অথবা গ্যাস বিলের কপি যে কোন একটি জমা দিতে হবে এবং সাম্প্রতিক ৩ মাসের মধ্যে বিলের কপি হতে হবে)

৪। ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ডলার ইন্ডোরসমেন্ট এক্ষেত্রে যে কোন একটি কপি দিলেই হবে

(১৫০ ডলার অথবা এর পরিমাণ টাকা ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিলেই হবে অর্থাৎ ১৫০০০/২০০০০ টাকা এরকম কোন বাধ্যবাধকতা মোটেও নেই যা লিখেছি সেটাই ফলো করুন তবে পরিমানে বেশি দিলে কোন সমস্যা নেই)

৫। নিজস্ব পেশাগত প্রমাণপত্র / কাগজপত্র জমা দিতে হবে

(আপনার স্কুল বা কলেজের আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হেড স্যার/প্রিন্সিপ্যাল স্যারের কাছ থেকে প্রত্যায়ন পত্রেরির/নিতে হবে এবং তা পাসপোর্ট এর সাথে জমা দিতে হবে)

৬। ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে ভর্তি সংক্রান্ত কাগজ পত্রাদি

৭। স্কুল/কলেজের সমস্ত সার্টিফিকেট কপি (BONA FIDE)

৮। ব্যাংক স্টেটমেন্ট কপি (এক্ষেত্রে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা দেখালেই হবে)

৯। ব্যাংক সল্ভেন্সি সার্টিফিকেট কপি (ব্যাংকের ম্যানেজারের কাছ থেকে নিতে হবে)

১০। সাম্প্রতিক ভিসা পেজের কপি

(আপনি যদি কোন দেশে আগে গিয়ে থাকেন যেমন ভারত/থাইল্যান্ড/নেপাল/ভুটান/অন্যান্য দেশে সেক্ষেত্রে লাস্ট যে দেশে গিয়েছিলেন সেই দেশের ভিসা পেজের কপি দিতে হবে আর যদি না গিয়ে থাকেন অর্থাৎ নতুন সেক্ষেত্রে (৮) নং সিরিয়াল বাদ )

১১। পাসপোর্ট এর ফটোকপি অর্থাৎ শুধু পাসপোর্ট এর মেইন পেজ যা ঠিকানাসহ তথ্যসম্বলিত পাতাটি

***সকল কাগজ পত্রাদি উপরের সিরিয়াল নম্বর অনুসারে সাজাতে হবে***

***এক্ষেত্রে ডলার ইন্ডোরসমেন্ট গ্রহণযোগ্য নয়, অবশ্যই ব্যাংক একাউন্ট দিতে হবে***

বিশেষ দ্রস্টব্যঃ পুরানো পাসপোর্ট থাকলে অবশ্যই সাথে আনতে হবে এবং জমা দিতে হবে।

ট্রানজিট ভিসার জন্য কাগজপত্রাদি ও নিয়মকানুন

১। অনলাইনে ভিসা এপ্লিকেশন ফিলাপের আবেদন কপি এবং ২ বাই ২ হোয়াইট ব্যাকগ্রাইন্ড ছবি সহ

২। জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন কপি অথবা স্মার্ট আইডি কার্ড এর ফটোকপি

(পাসপোর্ট এর নাম্বার অনুযায়ী অর্থাৎ পাসপোর্টে যে আইডি নং উল্লেখ করা আছে সেই অনুযায়ী ডকুমেন্টস দিতে হবে অন্যথায় জমা নিবে না)

৩। আবেদন পত্রের বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী ইউটিলিটি বিলের কপি

(বিদ্যুৎ বিলের কপি অথবা পানি বিলের কপি অথবা গ্যাস বিলের কপি যে কোন একটি জমা দিতে হবে এবং সাম্প্রতিক ৩ মাসের মধ্যে বিলের কপি হতে হবে)

৪। ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ডলার ইন্ডোরসমেন্ট এক্ষেত্রে যে কোন একটি কপি দিলেই হবে

(১৫০ ডলার অথবা এর পরিমাণ টাকা ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিলেই হবে অর্থাৎ ১৫০০০/২০০০০ টাকা এরকম কোন বাধ্যবাধকতা মোটেও নেই যা লিখেছি সেটাই ফলো করুন তবে পরিমানে বেশি দিলে কোন সমস্যা নেই)

৫। নিজস্ব পেশাগত প্রমাণপত্র অথবা অভিভাবকের পেশাগত কাগজপত্র জমা দিতে হবে

(ট্রেড লাইসেন্স কপি যদি বিজনেসম্যান হোন অথবা জিও লেটার কপি যদি সরকারি চাকরিজীবী হোন অথবা NOC কপি যদি প্রাইভেট চাকরিজীবী হোন এবং কোন মহিলা যদি হাউজ ওয়াইফ হন সেক্ষেত্রে তার এক্সট্রা হিসেবে হাসব্যান্ডের ট্রেড লাইসেন্স বা জিও লেটার বা NOC কপি জমা দিতে হবে)

৬। সুনিশ্চিত পরিবহণ টিকিট বুকিং দিতে হবে এবং পাসপোর্টের সাথে জমা দিতে হবে

৭। হোটেল বুকিং কপি জমা দিতে হবে  

৮। সাম্প্রতিক ভিসা পেজের কপি

(আপনি যদি কোন দেশে আগে গিয়ে থাকেন যেমন ভারত/থাইল্যান্ড/নেপাল/ভুটান/অন্যান্য দেশে সেক্ষেত্রে লাস্ট যে দেশে গিয়েছিলেন সেই দেশের ভিসা পেজের কপি দিতে হবে আর যদি না গিয়ে থাকেন অর্থাৎ নতুন সেক্ষেত্রে (৮) নং সিরিয়াল বাদ )

৯। পাসপোর্ট এর ফটোকপি অর্থাৎ শুধু পাসপোর্ট এর মেইন পেজ যা ঠিকানাসহ তথ্যসম্বলিত পাতাটি

***সকল কাগজ পত্রাদি উপরের সিরিয়াল নম্বর অনুসারে সাজাতে হবে***

***পোর্টঃ ভুটানের জন্য –চ্যাংড়াবান্দা/জয়গা বর্ডার ভিসা এপ্লিকেশনে উল্লখ করতে হবে***

***নেপালের জন্য – চ্যাংড়াবান্দা/রানীগঞ্জ বর্ডার ভিসা এপ্লিকেশনে উল্লখ করতে হবে*

বিশেষ দ্রস্টব্যঃ পুরানো পাসপোর্ট থাকলে অবশ্যই সাথে আনতে হবে এবং জমা দিতে হবে।

ভিসা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ তথ্যাবলি

১। সম্প্রতি তোলা ছবি আপলোড এবং আবেদন ফর্মের ছবি একই থাকতে হবে আর ব্যাক গ্রাইন্ড সাদা থাকতে হবে আর ছবির সাইজ ২ ইঞ্চি বাই ২ ইঞ্চি হতে হবে

২। ভিসা ফি ভিতরে প্রবেশের আগে জমা দিয়ে আসতে হবে যেমন ইউ ক্যাশ বা অনলাইনে জমা দিতে পারবেন

৩। পাসপোর্টের মেয়াদ অবশ্যই ৬ মাস থাকতে হবে (যেদিন এপ্লিকেশন ফিলাপ করবেন সেদিন থেকে ৬ মাস মেয়াদ থাকা আবশ্যিক নতবা জমা নিবে না ,আর ভুল করে জমা নিলেও ভিসা হবে না।

৪। নিজের পাসপোর্ট নিজেকেই জমা দিতে হবে এবং নিজেকেই গ্রহণ করতে হবে, এক্ষেত্রে মা, বাবা, হাসব্যান্ড-ওয়াইফ হলে কিছুটা ছাড় দিতে পারে কিন্তু সেটা তাদের উপর নির্ভর করবে

৫। আবেদন পত্রের মেয়াদ ৫ দিন পর্যন্ত বলবত থাকবে অর্থাৎ আবেদন করার ৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে অন্যথায় জমা নিবে না। তবে আবেদন করার পর ৫ দিনের মধ্যে যে কোন দিন ভিসা ফি জমা দিয়ে ওই দিনই জমা দিতে হবে।

৬। মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে সকল সনদপত্রের কপি জমা দিতে হবে অন্যথায় আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

৭। যারা অবসারপ্রাপ্ত তাদেরকে অবশ্যই অবসার সনদপত্রের কপি জমা দিতে হবে

উপরের সমস্ত তথ্য ১৩/০২/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত আপডেট তাই নিশ্চিন্ত ভাবে এই গাইডলাইন অনুসরণ করুন প্লিজ।

—————————————————————–

যোগাযোগঃ ০১৭১৭-১৮৫৩৬০ / ০১৯৩৭-৭৭৭২৪২ । ইমেইল আইডিঃ bdindi17@gmail.com

সঠিকভাবে ভিসা এপ্লিকেশন ফিলাপের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, আমরা এপ্লিকেশন ফিলাপ করে আপনার ইমেইল আইডিতে পাঠিয়ে দিবো, প্রিন্ট করে নিবেন যে কোন যায়গা থেকে।

Application এর জন্য কি কি ডকুমেন্টস দিবেনঃ

আমাদের ইমেইলে পাসপোর্টের কপি, বিদ্যুৎ/পানি বিলের কপি, আপনার ছবি, পেশা উল্লখ করবেন, আপনার বিজনেস ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার এবং লাস্ট ভিসা পেজের কপি (যদি থাকে)।

ভ্রমণ হবে সহজে

লেখক ও তথ্যঃ শেখ আব্দুর রহমান

"পরবর্তীতে পড়ার জন্য শেয়ার করে রাখুন"